প্রকাশকালঃ ২৭ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ২:৪০ সময়

রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন সীমান্ত চন্দ্র দাস নামে এক যুবক। তিনি এ মামলায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের বন্ধু। হত্যাকাণ্ডের রাতে তাঁর বাসায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন সীমান্ত।
রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। সীমান্ত কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার সুবাস চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি কাপড়ের দোকানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, সীমান্ত আদালতে যে তথ্য দিয়েছেন, তা গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া জবানবন্দির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আসামিরাও জিজ্ঞাসাবাদে সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবনের কথা জানিয়েছিলেন।
এর আগে গত রোববার সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল মাবুদ জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, আসামিদের ডোপ টেস্টের জন্য সোমবার সকালে ডাকা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আবেদন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনায় গত রোববার রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন নিহত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।
মামলা দায়েরের পর ওই রাতেই মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁরা আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে বর্তমানে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।