প্রকাশকালঃ ৩০ এপ্রিল ২০২৬, বিকাল ৫:২৫ সময়

জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের পর গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচিত কেনাকাটায় কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি।
বৃহস্পতিবার কমিটির আহ্বায়ক ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটি স্পিকারের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে সংসদ ভবনের টানেলে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তদন্তের বিভিন্ন দিক গণমাধ্যমকে জানানো হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংবাদে যেখানে তিনটি লেন্সের দাম ৩৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা বলা হয়েছিল, নথিপত্র অনুযায়ী এর প্রকৃত মূল্য ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা। তদন্ত কমিটির কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক এটিকে মুদ্রণজনিত ভুল হতে পারে বলে স্বীকার করেছেন।
এছাড়া তদন্তে দেখা যায়, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। প্রতিটি পণ্যে কার্যাদেশ অনুযায়ী নিকন ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো যথাযথভাবে রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সরকারি ক্রয়বিধি অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারদর, মূল্য সংযোজন কর, কর এবং ঠিকাদারের যৌক্তিক মুনাফা যোগ করে দাপ্তরিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কার্যাদেশে ক্যামেরার উৎপত্তিস্থল জাপান উল্লেখ থাকলেও সরবরাহ করা হয়েছে থাইল্যান্ডে তৈরি পণ্য। এ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তৎকালীন সচিব কানিজ মাওলার লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি, যা কমিটি একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সংসদের গণসংযোগ শাখার সরঞ্জাম জরুরি ভিত্তিতে প্রতিস্থাপনের জন্যই এই কেনাকাটা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল।