প্রকাশকালঃ ৩০ এপ্রিল ২০২৬, বিকাল ৫:০২ সময়

বিশ্বজুড়ে পানিদূষণের অন্যতম বড় উদ্বেগ এখন মাইক্রোপ্লাস্টিক, ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা, যা নদী-সমুদ্র থেকে শুরু করে মানুষের ব্যবহৃত পানিতেও পাওয়া যাচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় নতুন আশার খবর দিয়েছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা।
এতে বলা হয়েছে, পরিচিত একটি উদ্ভিদ, সজনে গাছ- এর বীজ ব্যবহার করে পানির উল্লেখযোগ্য অংশের মাইক্রোপ্লাস্টিক অপসারণ করা সম্ভব।
ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের গবেষকদের যৌথ এক গবেষণায় দেখা গেছে, সজনে বীজের নির্যাস পানির ভেতরে থাকা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণাগুলোকে একত্র করে বড় আকারে পরিণত করে। ফলে সেগুলো সহজেই পৃথক করা যায়। পরীক্ষায় প্রায় ৯৮ শতাংশের বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক অপসারণের সক্ষমতা দেখা গেছে।
গবেষণাটি পরিচালনা করেন ব্রাজিলের São Paulo State University-এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আদ্রিয়ানো গনসালভেস দস রেইস এবং তার সহকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে তারা সজনে বীজের প্রাকৃতিক গুণাগুণ নিয়ে কাজ করছেন।
গবেষণায় বিশেষভাবে পলিভিনাইল ক্লোরাইড (পিভিসি) ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়, যা পানির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে বিবেচিত। সজনে বীজের প্রাকৃতিক উপাদান এসব কণাকে জমাট বাঁধতে সহায়তা করে, ফলে পরিশোধন প্রক্রিয়া সহজ হয়।
গবেষকদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত রাসায়নিক পদ্ধতির সমতুল্য, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ফল দিয়েছে, বিশেষ করে পানির ক্ষারীয় অবস্থায়।
তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। একটি বীজ দিয়ে আনুমানিক ১০ লিটার পানি পরিশোধন করা সম্ভব হওয়ায় বৃহৎ পরিসরের পানি শোধনাগারে এটি প্রয়োগ করা কঠিন হতে পারে। তবুও গ্রামীণ বা স্বল্প সম্পদের এলাকাগুলোর জন্য এটি একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদ্ধতি আরও উন্নত করা গেলে ভবিষ্যতে কম খরচে টেকসই পানি বিশুদ্ধকরণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। যদিও অন্যান্য ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক ও অতিক্ষুদ্র কণার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, পুষ্টিগুণের জন্য পরিচিত সজনে গাছ এখন পানিদূষণ মোকাবিলার সম্ভাব্য সমাধান হিসেবেও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এতে বলা হয়েছে, পরিচিত একটি উদ্ভিদ, সজনে গাছ- এর বীজ ব্যবহার করে পানির উল্লেখযোগ্য অংশের মাইক্রোপ্লাস্টিক অপসারণ করা সম্ভব।
ব্রাজিল ও যুক্তরাজ্যের গবেষকদের যৌথ এক গবেষণায় দেখা গেছে, সজনে বীজের নির্যাস পানির ভেতরে থাকা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণাগুলোকে একত্র করে বড় আকারে পরিণত করে। ফলে সেগুলো সহজেই পৃথক করা যায়। পরীক্ষায় প্রায় ৯৮ শতাংশের বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক অপসারণের সক্ষমতা দেখা গেছে।
গবেষণাটি পরিচালনা করেন ব্রাজিলের São Paulo State University-এর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক আদ্রিয়ানো গনসালভেস দস রেইস এবং তার সহকর্মীরা। দীর্ঘদিন ধরে তারা সজনে বীজের প্রাকৃতিক গুণাগুণ নিয়ে কাজ করছেন।
গবেষণায় বিশেষভাবে পলিভিনাইল ক্লোরাইড (পিভিসি) ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়, যা পানির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে বিবেচিত। সজনে বীজের প্রাকৃতিক উপাদান এসব কণাকে জমাট বাঁধতে সহায়তা করে, ফলে পরিশোধন প্রক্রিয়া সহজ হয়।
গবেষকদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত রাসায়নিক পদ্ধতির সমতুল্য, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ফল দিয়েছে, বিশেষ করে পানির ক্ষারীয় অবস্থায়।
তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। একটি বীজ দিয়ে আনুমানিক ১০ লিটার পানি পরিশোধন করা সম্ভব হওয়ায় বৃহৎ পরিসরের পানি শোধনাগারে এটি প্রয়োগ করা কঠিন হতে পারে। তবুও গ্রামীণ বা স্বল্প সম্পদের এলাকাগুলোর জন্য এটি একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদ্ধতি আরও উন্নত করা গেলে ভবিষ্যতে কম খরচে টেকসই পানি বিশুদ্ধকরণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। যদিও অন্যান্য ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক ও অতিক্ষুদ্র কণার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, পুষ্টিগুণের জন্য পরিচিত সজনে গাছ এখন পানিদূষণ মোকাবিলার সম্ভাব্য সমাধান হিসেবেও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
