প্রকাশকালঃ ৪ মে ২০২৬, দুপুর ২:০১ সময়

হজযাত্রার অংশ হিসেবে মদিনায় অবস্থানকালে অনেকে মসজিদে নববি-তে টানা আট দিন ৪০ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। অন্যদিকে মক্কায় অবস্থানকালে মসজিদুল হারাম-এ জামাতে নামাজ আদায়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ধর্মীয় নির্দেশনা অনুযায়ী, হজের সময় প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতে ব্যয় করার চেষ্টা করেন হাজিরা। ফরজ নামাজের পাশাপাশি তারা নফল ইবাদত যেমন তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত, আউয়াবিন নামাজ আদায় করেন। এছাড়া তাওয়াফ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার এবং জমজমের পানি পান তাদের দৈনন্দিন আমলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।
একজন হাজির দিনের রুটিন সাধারণত ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ধারাবাহিক ইবাদতের মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে। ভোরে তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে দিন শুরু হয়। এরপর তাওয়াফ, কোরআন তেলাওয়াত ও জমজমের পানি পান করা হয়।
সকালে নাশতা শেষে কেউ কেউ ঐতিহাসিক স্থান জিয়ারত করেন, আবার অনেকে বিশ্রাম বা ব্যক্তিগত কাজে সময় দেন। দুপুরে জোহরের নামাজ আদায়, খাবার গ্রহণ ও বিশ্রামের পর বিকেলে আসরের নামাজ আদায় করা হয়।
সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর তাওয়াফ, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকিরে সময় কাটে। রাতের বেলায় এশা ও বিতরের নামাজ আদায় শেষে নফল ইবাদত, খাবার গ্রহণ এবং পরদিনের প্রস্তুতির মাধ্যমে দিনের সমাপ্তি ঘটে।
এভাবে নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মধ্য দিয়ে হজযাত্রীরা তাদের দিনগুলো অতিবাহিত করেন, যা তাদের জীবনের অন্যতম আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।