প্রকাশকালঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দুপুর ১:৩১ সময়

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও অর্থনীতির মূল ভিত্তি হলো কৃষি। এই চিরন্তন সত্যকে ধারণ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একদা ডাক দিয়েছিলেন ‘সবুজ বিপ্লবের’। আজ সেই বিপ্লবের উত্তরাধিকারী হয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠা বাংলাদেশের হাল ধরেছেন আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
১৯ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বুকে নিয়ে তিনি যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে, তখন দেশের কৃষক ও ডিলার সমাজ এক বুক আশা নিয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। ‘কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সার বিতরণ ব্যবস্থার বর্তমান জটিলতা নিরসনে তাঁর সময়োপযোগী ও জাদুকরী সমাধানই এখন দেশবাসীর মূল প্রত্যাশা।
বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ‘সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ নীতিমালা-২০২৫’ বর্তমানে দেশের কৃষি খাতে এক অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করেছে। এই নীতিমালার কিছু ধারা বাস্তবসম্মত নয় বলে অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের ডিলার এবং প্রান্তিক চাষীরা।
একটি ইউনিয়নে তিনটি বিক্রয় কেন্দ্র পরিচালনা করা ডিলারদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়তি ভাড়া, পরিবহন এবং লোকবল খরচের বোঝা ডিলারদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে।
এ দেশের ৮০ শতাংশ কৃষক মৌসুমে বাকিতে সার নিয়ে ফসল ঘরে তুলে টাকা শোধ করেন। কিন্তু নতুন নীতিমালার নগদ লেনদেনের কড়াকড়ি কৃষকের ঘরে হাহাকার ডেকে আনছে।
এই কঠিন সন্ধিক্ষণে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে, তারেক রহমান—যিনি বাংলার মাঠ-ঘাট-প্রান্তর চষে বেড়িয়েছেন, তিনি আমলাতান্ত্রিক এই জটিলতা বোঝেন এবং খুব শীঘ্রই একটি সুন্দর ও কার্যকরী সমাধান দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর ‘নয়া বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের রূপরেখায় কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি জানেন, এ দেশের মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি। তাঁর নেতৃত্বে কৃষি খাত হবে প্রযুক্তি নির্ভর এবং সিন্ডিকেট মুক্ত।
সার বিতরণে যে মাফিয়াতন্ত্র আগে গড়ে উঠেছিল, তারেক রহমানের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে তা এখন লন্ডভন্ড। তিনি চান সার যেন কোনো নেতার পকেটে না গিয়ে সরাসরি কৃষকের লাঙ্গলের ছোঁয়ায় পৌঁছায়।