প্রকাশকালঃ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রাত ১২:৩৭ সময়

কূটনৈতিক সংবাদদাতা:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ সময় সদ্য নির্বাচিত সরকার প্রধানকে বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। যদিও সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানটি শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীকে চীনের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন রাষ্ট্রদূত। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। সেটা সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়। তার ধারাবাহিকতায় সবসময় একটা শক্তিশালী সম্পর্ক বিদ্যমান আছে। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ডেভেলপমেন্ট পার্টনার বা উন্নয়ন অংশীদার। এই সম্পর্ক আরো কীভাবে জোরদার করা যায় এবং নতুন মাত্রায় নেওয়া যায় সে বিষয়ে কাজ করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, চীন দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে যাবে উভয় দেশ। চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কাজ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, আজ সকালে চীনের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে যাবে উভয় দেশ। চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কাজ করা হবে। চীন দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র।
এই সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে ও পার্টনারশিপে কাজ করে উন্নয়ন করা যায় সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
চীন সফরে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, হ্যাঁ, প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এখনো সময়সূচি ঠিক করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আগে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবেন। এরপর উনি যখন বিদেশ সফর শুরু করবেন তখন তিনি চীন সফর নিয়ে বিবেচনা করবেন। হুমায়ুন কবির বলেন, চীন সরকার বাংলাদেশের জনমতকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে, মূলত সে শুভেচ্ছা জানাতেই তিনি এসেছিলেন।