প্রকাশকালঃ ২৫ জুন ২০২৬, দুপুর ১:৩৩ সময়

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় হাত-পা কাটা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্নসহ পান্নু ফকির (৪২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের কুমারকান্দা এলাকার একটি সড়ক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত পান্নু ফকির ওই এলাকার রহমান ফকিরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে পান্নু ফকির জমিজমা-সংক্রান্ত একটি সালিশ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে তিনি দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার পর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে দুর্বৃত্তরা তার মরদেহ সড়কের ওপর ফেলে রেখে যায় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।
খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতসহ একাধিক গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি পাটক্ষেতে পান্নু ফকিরকে হত্যার পর মরদেহ সড়কের ওপর ফেলে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হবে।