প্রকাশকালঃ ৫ মে ২০২৬, দুপুর ৩:৩৪ সময়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্যচুক্তি কোনো নতুন উদ্যোগ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তির সূচনা বর্তমান সরকারের সময়ে হয়নি। এটি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলমান রয়েছে। রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বাতিল করার বিষয় নয়।”
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক যেকোনো বাণিজ্যচুক্তি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। এতে উভয় পক্ষের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিয়ে ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। তাই এ বিষয়ে অযথা উদ্বেগের প্রয়োজন নেই।
মন্ত্রী জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের স্বার্থ সুরক্ষা করা। চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তবে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।”
উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অতিরিক্ত শুল্কের প্রভাব মোকাবিলায় ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক (রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।