প্রকাশকালঃ ১০ মে ২০২৬, রাত ১১:৫১ সময়

নিউজ ডেস্ক, ঢাকা প্রেস:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেইজ স্কুলের ‘ও’ লেভেলের মেধাবী শিক্ষার্থী মো. ইয়াছিন আরাফাত (১৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় ৯ মাস পর তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট ২০২৫ ইয়াছিন আরাফাত মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে তার মা নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের দুই দিন পর ১৩ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকার ডিএন্ডডি লেকপাড় থেকে ইয়াছিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে তদন্তভার পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের এসআই (নি.) মো. মনিরুজ্জামান।
তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ৫ মে ২০২৬ ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. আজিম হোসাইন (২৭)কে গ্রেফতার করে পিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিনে কদমতলীর শনিরআখরা এলাকা থেকে মো. ফয়সাল (২৭) এবং রূপগঞ্জের বরাব এলাকা থেকে নুসরাত জাহান মিম (২৪)কে গ্রেফতার করা হয়।
পরে ৬ মে আদালতে হাজির করা হলে আসামি আজিম হোসাইন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই জানায়, পূর্ব বিরোধের জেরে ইয়াছিন আরাফাতকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকার ডিএন্ডডি লেকে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে।