প্রকাশকালঃ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ৩:১৩ সময়

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে শাহবাগ থানার সামনে ‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্রবঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ ব্যানারে এ কর্মসূচি শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা এতে অংশ নিয়েছেন।
বগুড়ার ধুনট উপজেলা থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত আশরাফুল ইসলাম পাভেল বলেন, তাদের বাদ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। তিনি বলেন, যারা আগামী ১ তারিখে চাকরিতে যোগ দেবেন, তাদের সঙ্গে একই সময়ে নিয়োগপত্র পেয়ে যোগদানের সুযোগ চান তারা।
সরকারের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ হয়েছে কি না জানতে চাইলে পাভেল জানান, পাঁচজনের একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রণালয়ে গেছে। তারা ফিরে এলে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
অবস্থান কর্মসূচি পরবর্তী সময়ে কীভাবে চলবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপাতত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে প্রয়োজন হলে কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করা হতে পারে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে আসা আরেক নিয়োগপ্রত্যাশী বলেন, কেন তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট কোনো তথ্য পাচ্ছেন না। কারণ জানতে চাইলে কখনো অধিদপ্তর, আবার কখনো মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। এতে তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের বলেন, আন্দোলনকারীরা কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এখানে আসেননি। তাদের দাবি, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যারা নিয়োগবঞ্চিত হয়েছেন, তাদের বিষয়টি দ্রুত পর্যালোচনা করে প্রতিকার করা হোক।
এর আগে শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংবাদ সম্মেলন করে রোববার শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন নিয়োগপ্রার্থীরা।
তাদের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অন্তত ২ হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি। নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ জানিয়ে দ্রুত তাদের নিয়োগের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।