প্রকাশকালঃ ২৪ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৫:৩৬ সময়

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ১২ দিনব্যাপী জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন চলছে। পটিয়া পৌরসভার শেয়ানপাড়া শরীফ খাঁ জামে মসজিদ মাঠে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়েছে।
১ রবিউল আউয়াল থেকে ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি, অর্থাৎ ১৪ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিদিন বাদ মাগরিব এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হয় আয়োজনের অষ্টম দিনের অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন লেখক ও প্রাবন্ধিক মুহাম্মদ রশিদ এনাম। প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমির হোসাইন। প্রধান বক্তা ছিলেন সুন্নী নূরানী বোর্ড বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হযরতুলহাজ মাওলানা আবুল আসাদ মুহাম্মদ জুবাইর রজভী।
প্রধান বক্তার আলোচনার বিষয় ছিল—‘ক্বদ জা আকুম মিনাল্লাহি নূরুন ওয়া কিতাবুম মুবিন’ আয়াতের আলোকে নূরে মোহাম্মদীর সৃষ্টির ইতিহাস, মা আমেনা (রা.)-এর গর্ভে অবস্থানের বিষয় এবং পৃথিবীতে আগমনের পূর্বে পূর্ববর্তী নবীদের মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর আগমনের সুসংবাদ।
বিশেষ বক্তা ছিলেন পটিয়া মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ ইরফানুল ইসলাম। তিনি ফজর ও আসর নামাজের গুরুত্ব এবং নামাজে অবহেলার পরিণতি নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া জেনারেল হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ বাহাদুর খাদেমী, ১২ দিনব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন কমিটির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উপদেষ্টা মুহাম্মদ নোমান এবং গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ৪ নম্বর ওয়ার্ড (খ) শাখার আহ্বায়ক মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেয়ানপাড়া হাজী আবদুল খালেক আমিরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আহমদ হালিমী।
বক্তারা বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহ প্রদত্ত রহমতস্বরূপ। অশান্তি ও সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে শান্তি, মানবতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। তাঁর জীবন ও শিক্ষা অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।