প্রকাশকালঃ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:০২ সময়

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের এই বিল ইস্যু করা হয়। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী। বিল অনুযায়ী, ৮ আগস্ট মিটারের পূর্ববর্তী রিডিং ছিল ১৬০ এবং ৮ সেপ্টেম্বর বর্তমান রিডিং ৩৯৫। অর্থাৎ এক মাসে ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ।
তবে বিলের হিসাবে ২৩৫ ইউনিটের স্বাভাবিক চার্জের পাশাপাশি ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করা হয়। সব মিলিয়ে বিলের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকায় দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করা হয়।
অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ সেটি দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা। ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলটির পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। গ্রাহকের শ্রেণি হিসেবে বিলে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’ উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, এটি শুধু ‘ভুতুড়ে বিল’ নয়, একেবারেই অস্বাভাবিক। বিদ্যুৎ বিভাগের এমন ভুলের কারণে গ্রাহকদের অযথা দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যায়। এর ফলে অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত বিলটি সংশোধন করা হয়েছে। পরে গ্রাহক সংশোধিত প্রকৃত বিল পরিশোধ করেছেন।