প্রকাশকালঃ ১০ জুন ২০২৬, দুপুর ১:৪৭ সময়

দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় স্বর্ণের দাম বড় অঙ্কের কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
বুধবার সকালে দেওয়া এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে অলঙ্কার তৈরির মূল উপাদান তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারের গতিপ্রকৃতি বিবেচনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দর আজ সকাল ১০টা থেকেই দেশজুড়ে কার্যকর হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে এখন থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের ভালো মানের স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে, সবশেষ গত ৬ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের এই সংগঠন।
ওই সমন্বয় অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলতি ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রেকর্ড ৭২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ৩৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং কমানো হয়েছিল ২৯ বার।