প্রকাশকালঃ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮:১৮ সময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত কুষ্ঠবিষয়ক এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে কুষ্ঠমুক্ত করতে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের কার্যক্রম চলমান থাকবে।
কুষ্ঠ নির্মূলে সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশন ও বিভিন্ন এনজিও অংশীদারের সহযোগিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে এসব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কুষ্ঠ নির্মূলের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দেশের চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় ডা. শাহ আলী আকবর আশরাফী, ডা. রাজেশ নারওয়াল, অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম, প্রফেসর ডা. তাকাহিরো নানরী, শেখ মোমেনা মনি, ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদ, ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার সাজ্জাদ ও ডা. মাহবুব আরেফিন রেজানুর উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে একই দিন মহাখালীতে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত রেসপিরেটরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি সেন্টারের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, সেসব প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দীর্ঘ ২১ বছর পর আইসিইউ সেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নতুন আইসিইউতে ৪০টি শয্যা যুক্ত হয়েছে।