প্রকাশকালঃ ২৬ মার্চ ২০২৬, রাত ২:৩৭ সময়

নিউজ ডেস্ক-ঢাকা প্রস:
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়, যার মূল দায়িত্ব সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জনগণের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা-এই গুরুত্বপূর্ণ পেশার মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে কারা?
দেশে ভুয়া সাংবাদিকতার প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, যা গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যমের মূল দায়িত্ব সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জনগণের কণ্ঠস্বর তুলে ধরা হলেও, কিছু অসাধু ব্যক্তির অপতৎপরতায় এই পেশার মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ন্যূনতম যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এক ব্যক্তি অর্থের বিনিময়ে একটি পত্রিকার পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে গিয়ে নিজের বা অন্য কারও অসুস্থতার কথা বলে সহানুভূতি আদায় করছেন এবং অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অনেক ক্ষেত্রে সরল বিশ্বাসে কর্মকর্তারা ও সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত প্রতারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি সামগ্রিকভাবে গণমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করছে। যেখানে প্রকৃত সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিয়ে সত্য উদঘাটনে কাজ করেন, সেখানে ভুয়া পরিচয়ধারীরা পুরো পেশাকে কলুষিত করছে।
সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের প্রতারণা রোধে সংশ্লিষ্ট পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলী ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি। সাংবাদিক পরিচয়পত্র প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করা এবং ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে সাধারণ জনগণকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কেউ সাংবাদিক পরিচয়ে আর্থিক সহায়তা চাইলে তার পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমের মর্যাদা রক্ষা ও সমাজে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভুয়া সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।